Showing posts with label বোধদয়. Show all posts
Showing posts with label বোধদয়. Show all posts

Friday, April 10, 2026

উন্নত চিকিৎসা সেবা শুধু ডাক্তার দিয়ে হবে না, তাকে যুদ্ধ করার মত ঢাল, তলোয়ার দিতে হবে

লেখক ঃ লিংক 

****************
কলিগ + ছোটভাই Zilanur Rahman Shuvo এক মাস কোরিয়া থেকে ট্রেনিং করে আসছে। আমরা সবাই শুভকে ঘিরে বসলাম, কি কি শিখলো জানার জন্য...
শুভর প্রথম কথাই হলো...
" এভাবে হবে না ভাই, এভাবে হয় না... "
..........
ইন্সটিটিউট এ আসার পর থেকেই গত ৭ মাস ধরে বিশাল এক কর্মযজ্ঞের ছোট ছোট জিনিস নিয়া নাড়াচাড়া করছি, কখনো খুব ক্লান্ত লাগে, হতাশ লাগে... আমরা কি পারবো!!
আবার আশায় বুক বাঁধি... পারতেই হবে আমাদের...
সরকার যেহেতু ম্যানপাওয়ার ট্রেইন করার জন্য আলাদা ফান্ড দিবে না, আমরা নিজেরাই পরিচালক স্যারের পারমিশন নিয়ে গুতাগুতি আর খয়রাত করে এদিক ওদিক যাওয়ার চেষ্টা করতেছি...
শুভ গিয়েছিলো কোরিয়া। এক মাসে কোরিয়ার হেলথকেয়ার (খুব ই এক্সপেন্সিভ কিন্তু সিস্টেম টা অসাধারন) আর হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারির এডভান্স প্রসিডিওর সম্পর্কে একটা ছোটখাটো আইডিয়া নিয়ে এসেছে। টেকনিক্যাল জিনিসটা আমরা পারবো না এমন কিছু না, কিন্তু সিস্টেম আমাদের কতটুকু সাপোর্ট কতোদিন দিতে পারবে সেটাই আসল।
****************
"গরীবের আবার থাকা, মাথায় কাপড় দিতে গেলে পাছা উদলা হইয়া যায়..."
ফজলুর রহমান বাবুর নাটকের ডায়ালগের মতো আমাদের স্বাস্থ্যখাতের একই দশা। পাছা ঢাকা জরুরি হলেও মাথার কাপড় মাঝে মাঝে উপেক্ষা করা যায় না। আমাদের স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসা থাকলেও সেবার বড় অভাব। এখানে হেলথ আছে মোটামুটি তবে সার্ভিস বড্ড কম। কারন সার্ভিস দিতে গেলে যে স্ট্যান্ডার্ড সেটাপ থাকার কথা সেটি আমাদের বর্তমান সিস্টেমে বড়ই উপেক্ষিত৷ হেলথ সার্ভিস মানেই কেবল ডাক্তার আর নার্সের উপস্থিতি নয়...
তার থেকেও বড় সমস্যা আপনার স্কিল আর নলেজের তুলনায় অপর্যাপ্ত বেতন। সারা পৃথিবীতেই যেখানে স্কিলড ম্যানপাওয়ার এর স্যালারি বেশি আমাদের সেখানে দুধ আর পানির একই দর। সেইটা পোষাতে গিয়ে ডাক্তারেরা পান অফিস টাইমের পরে প্রাইভেট প্রাকটিস এর অনুমতি, শিক্ষকেরা পান প্রাইভেট পড়ানোর অনুমতি, কেউ পান কনসাল্টেন্সির অনুমতি...
কিন্তু আমার ভীষন ক্লান্ত লাগে। সকালে একটা হুইপলস প্রসিডিওর করে আমার বিকেলে চেম্বারে যেতে ভালো লাগে না, সন্ধায় আবার ওটি করতে ইচ্ছা হয় না । আমার ইচ্ছা হয় বিকেলে রমনা পার্কে হাঁটাহাঁটি করে সন্ধায় বেইলি রোডে বউ বাচ্চার সাথে স্ট্রিট ফুড খেয়ে ১০ টার মধ্যে শুয়ে পড়তে, যেনো পরদিন আবার আমার ১০০% দিতে পারি।
বিশ্বাস করেন, পৃথিবীর মোটামুটি সিস্টেমে চলা সব দেশে এটাই বাস্তব। কোরিয়াতে ৫ টার পরে সব কনসালটেন্ট বাসায়, উইকএন্ডে পিকনিক বা হাইকিং এ...
এই কথা শুনে অনেকেই বলবেন যে আমরাও চাই আপনারা প্রাইভেট প্রাকটিস না করেন- কিন্তু ভাই কোরিয়ার সমান না হোক, খেয়ে পরে ভালোমতো চলার মতো একটা স্ট্যান্ডার্ড স্যালারি তো তার হাইলি স্কিলড জনবলের জন্য ন্যুনতম চাহিদা...
অনেকেই বলেন কই- অন্য ক্যাডারের তো একই বেতন, আর্মির ও...
কিন্তু আসল টুইস্ট হলো বেতন একই হলেও ফ্যাসিলিটি একই না। একজনের যেখানে বিভিন্ন ফ্যাসিলিটির কারনে বাসা-রেশন-ট্রান্সপোর্ট-হেল্পিং হ্যান্ড থাকায় বেতনে মোটামুটি চলে যেতে পারে- আমার শুন্য সুবিধার চাকরিতে সেটি বিলাসিতা। আমার বেতন মাসের ৫ তারিখেই শেষ...
##########
টয়োটা এক্সিও আর ল্যাম্বরগিনি ফর্মুলা ওয়ান কারের পার্থক্যটা হলো টয়োটা দিয়ে আপনার ডেইলি কাজ চলে যাবে, কিন্ত ল্যাম্বরগিনি আপনাকে রেস জেতাবে। ল্যাম্বরগিনি তেল খায় বেশি, মেইনটেইন করা লাগে বেশি রেসের পরে আবার রেস্ট ও দেওয়া লাগে বেশি। তারপরেও রেসের সার্কিটে মানুষ ল্যাম্বরগিনি ই চায়...
হেলথ সার্ভিসেও যদি আপনি আসলে প্রিমিয়াম সার্ভিস দিতে চান- আপনাকে কিছু ল্যাম্বরগিনি পালতে হবে। সে বেশি তেল খাবে- অনেক মেইনটেনেন্স চাবে, পড়ে পড়ে ঘুমাবে-- কিন্তু দিনশেষে রেস ও জেতাবে...
*************
আমাদের হেলথ সার্ভিসে সেই ল্যাম্বরগিনি হওয়ার কথা ছিলো সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতাল। কিন্তু সেটার শুরুতেই বাঁশ মেরে দেওয়া হয়েছে এর প্রস্তাবিত আধুনিক বেতন কাঠামো কেটে দিয়ে। সেই বেতন কাঠামোতে ছিলো মোটামুটি খেয়ে পরে থাকার নিশ্চয়তা। মেডিকেল অফিসার ৭০ হাজার, কনসালটেন্ট ২-৩ লাখ, সিনিয়র/চীফ কনসাল্টেন্ট ৪-৫ লাখ ফুলটাইম নন প্রাকটিসিং চাকরির জন্য কোনমতে তাও চলে।
কিন্তু সবজান্তারা সেই স্কেল কেটে সরকারী স্কেল করে দিলো। সেইসাথে মেরে ফেললো এটি সত্যিকারের সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতাল হওয়ার সম্ভাবনা। এটির কপালে এই বেতনে সদর হাসপাতালের উন্নত ভার্সন ছাড়া আমি কোন গতি দেখি না...
হুন্দাইয়ের বিল্ডিং, স্যামসাং এর ফিটিংস, লেনোভোর আইটি নিয়ে যার ল্যাম্বরগিনির হবার কথা,একটু বেশি বেতনের অপরাধে তাকে টয়োটা এক্সিও বানানো আমি মানতে পারিনা....
************
আসলে এভাবে হবে না
এভাবে হয় না...
উন্নত চিকিৎসা সেবা শুধু ডাক্তার দিয়ে হবে না, তাকে যুদ্ধ কবার মত ঢাল, তলোয়ার দিতে হবে ।


 

সরকারী হাসপাতালে মেশিন নষ্ট হয়, কিন্তু প্রাইভেটে ঠিক থাকে কিভাবে?

 

লেখক ঃ মাহমুদ রায়হান ( ফেসবুক লিংক )
 
######################
আজ সকালেও ইউনিট থেকে চাঁদা তুলে ১৮ হাজার টাকা দিলাম হাসপাতালের একটা মেশিন ঠিক করতে। না হলে অপারেশন বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ৫০ জনের উপরে জটিল ও ক্যান্সারের ভর্তি রোগী অপারেশনের সিরিয়ালে।
অথচ সরকারী হাসপাতালের মেশিন সরকারী ব্যস্থাপনায় ই মেইনটেনেন্স, রিপেয়ার করে ফাংশনিং রাখার কথা....
*************
সরকারি হাসপাতালে দিনের পর দিন মেশিন নষ্ট। অথচ কাছাকাছি প্রাইভেট হাসপাতালে বা ডায়াগনস্টিক এ মেশিন নষ্ট হয়ে কোন সার্ভিস অফ আছে এই অভিযোগ নেই বললেই চলে । এই অভিযোগ অনেক পুরনো কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন এমনটি হয় কেন?
সরকারি হাসপাতালে মেশিন ঠিক করা বিশাল এক দুরূহ ব্যাপার। ধরেন আপনি পপুলার ডায়াগনস্টিক এর ম্যানেজার, আপনার এক্স-রে মেশিনটি নষ্ট হয়ে গেল। আপনি তখন যে কোম্পানির মেশিন তাকে তাড়াতাড়ি ফোন দিবেন। তারা টেকনিশিয়ান বা ইঞ্জিনিয়ার পাঠাবে, মেরামত করে দিবে, টাকা দিবেন, মামলা ফিনিশ। রিপেয়ারিং করতে সময় লাগলে ভালো কোম্পানিরা আবার ব্যাকআপ মেশিন দিয়ে যায়। কারন আপনার মেশিন চালু মানে ব্যবসা চালু...
এই জিনিসটাই সরকারি হলে এক জটিল প্রসেস। প্রথমে রেডিওলজির প্রধান হাসপাতাল পরিচালক কে চিঠি লিখবেন আমার মেশিনটা নষ্ট। এরপরে পরিচালক চিঠি দিবেন মহাখালীতে থাকা নিমিউ (সরকারী প্রতিষ্ঠানে যন্ত্র মেরামতের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান) কে। সারা দেশ থেকে এমন অসংখ্য চিঠি আসে। যেদিন সময় হবে সেদিন তারা পরিদর্শন করতে যাবে। আপনি ঢাকায় হলে তাও কাছাকাছি, ঢাকার বাইরে মানে মরেছেন। এখন দেখে যদি তাদের মনে হয় নিমিউ ঠিক করতে পারবে তাহলে তারা একটা এস্টিমেশন দিবে...
সমস্যা হলো বর্তমানে অনেক আধুনিক যন্ত্রপাতি ঠিক করার মত কারিগরি দক্ষতা বা স্পেয়ার যন্ত্রপাতি সাপোর্ট নিমিউ এর নেই। তখন তারা একটা অনাপত্তি পত্র দিবে, যে আমরা পারবো না-আপনারা আপনাদের মত করে নেন ।
এইবারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেই যন্ত্র মেরামতের জন্য কোটেশন চাইবে। দুই চার বিশ হাজার হলে রক্ষা, এর বেশি হলে সেটা বাজেট পাস করে আনতে হবে (কয়দিন লাগবে বুঝে নেন)। এইখানেও সমস্যা হল বর্তমানে বেশিরভাগ আধুনিক যন্ত্রই দামি আর এদের মেরামত ও মিনিমাম লাখ টাকার মামলা। বাজেট থাকলে এবার কোটেশন আবার আর বেশি টাকার মামলা হলে টেন্ডার...
এরপরে কতোদিন লাগবে কেউ আর জানেনা....
**************
এখন আধুনিক বেশিরভাগ হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার যন্ত্র। এগুলোর মেইনটেনেন্স ও নিয়মিত সার্ভিসিং করার জন্য বেসরকারি বড় হাসপাতালগুলোতে আলাদা বিভাগেই থাকে- বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং। বুয়েটেও এই বিষয়ে ডিগ্রি চালু হয়েছে।
কিন্তু আমাদের সরকারী হাসপাতালে আছে জুনিয়র মেকানিক পোস্ট। যাদের সর্বোচ্চ দৌড় সকেট আর প্লাগ ঠিক করা পর্যন্তই... এইজন্যই সরকারী যন্ত্র মেইনটেইন করার করা মুশকিল আর মেইন্টেনেন্স এর অভাবেই দুইদিন পরে পরে উষ্টা খেয়ে পড়ে৷ আর মানুষ ভাবে সরকারী লোকজন ইচ্ছা করে মেশিন নষ্ট করে ফেলে রাখছে....
আমার ডিপার্টমেন্ট এ এমন মেশিন জরুরি মেশিন ও আছে দেড় কোটি টাকা দাম, তিন লাখ টাকার রিপেয়ার এর জন্য চালু করতে পারছি না (এমন সফিস্টিকেটেড মেশিন যে স্পেসিফিক ভেন্ডর কো অপারেট না করলে উপায় নাই, এদিকে ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ। কোটি টাকা ব্যবসা করা ভেন্ডরের আবার তিন লাখ টাকার জিনিসে কোন আগ্রহ ও নাই। মহা মুসিবত...)
****************
এর একটা সহজ সমাধান হলো হাসপাতালগুলোকে আরো বেশি আর্থিক স্বায়ত্তশাসন দেয়া। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা পাশাপাশি অর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। পরিচালকের আর্থিক ক্ষমতা বেশি থাকবে আবার মেশিন বসে থাকলে তিনি দায়ী ও থাকবেন।
বাংগালীর পুরুষের সমস্যা হইলো এরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী বউকে ভয় পায়। নিয়ন্ত্রনকারী কর্তৃপক্ষ চায় তাদের অনুমতি ছাড়া কুটোটিও নড়বে না, আর জনগন চায় হ্যাসেল ফ্রি সার্ভিস...
এ এক জটিল সমস্যা...

Wednesday, August 20, 2025

কেন এমন হয় ?


 
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গত ২৩ জুলাইয়ের 'ডেইলি পেশেন্ট স্টেটমেন্ট' এটা। ২৩ জুলাইয়ের জায়গায় আপনি অন্য যেকোনো বার বসান, যেকোনো মাসের যেকোনো তারিখ, সংখ্যাটা একই থাকবে। কিংবা, আরও কিছু বাড়বে।
দেখতেই পাচ্ছেন, এই হসপিটালে রোগী ভর্তি করার ক্যাপাসিটি ১২০০ জন। সেখানে ভর্তি হচ্ছে ২৮৪১ জন। মানে, ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ। বহির্বিভাগে ১০ টাকা মূল্যের টিকেট কেটে ডাক্তার দেখিয়ে গেছেন সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ। সংখ্যাটা সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটার মধ্যে। ওই আলাপটুকু আজ তোলাই থাকুক।
তবুও এখানে প্রশ্ন বেশ কয়েকটা।
১. এই যে অতিরিক্ত ১৬০০ রোগী ভর্তি হচ্ছেন, তাদের থাকার বন্দোবস্ত কী?
২. অতিরিক্ত ১৬০০ রোগীর কথা মাথায় রেখে কি ওষুধ-পত্র সরবরাহ আসছে হসপিটালে?
৩. সরকার যখন ডাক্তার-নার্স-হসপিটাল স্টাফ নিয়োগ দিচ্ছে, তখন কি 'অতিরিক্ত ১৬০০ রোগী ভর্তি হবে', সেই ভাবনা থেকে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিচ্ছে? নাকি ১২০০ রোগী সামলানোর সামর্থ্য যেই ক'জন মানুষের, তাদের সামর্থ্যটা শুষে সেবা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।
এই উত্তরগুলো মনের মধ্যে সাজালেই আপনার উত্তর পেয়ে যাওয়ার কথা, সরকারি মেডিকেলের 'ডাক্তাররা কেন আপনাকে আপনার মনমতো টাইম দেয় না', 'কেন`` নার্সরা আপনাকে ওষুধ দেয় না'।
https://www.facebook.com/photo?fbid=2787348228122159&set=a.252072618316412
Hasnat Sunny
আপনার স্ট্যাটাস পড়তেছি স্কুলে বসে। স্কুলে ৭ জন টিচারের জায়গায় আছি ২ জন। এরমধ্যে একজন ব্যস্ত থাকেন বিভিন্ন অফিশিয়াল কাজে। একা কী মানসম্মত শিক্ষা দিবো?
শিক্ষা আর চিকিৎসা দুইটা সেক্টর জনবলের সংকটের কারনে ভয়াবহ অবস্থায় আছে। চিকিৎসা সেটরের অবস্থা বেশি খারাপ।

 

এ্যাম্বুলেন্স কথন ( বিডি ভার্সন )

গত বছর এক এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের প্লাজমা এক্সচেঞ্জ করেছিলাম।

 প্রথমে তার কথাবার্তা পরিস্কার ছিলনা তাই বোঝাই যাচ্ছিল না আসলে কী বলতে চায়।

 একদিন পর যখন পরিষ্কার হল, তখন জানতে পারলাম—ঢাকা মেডিকেল কেন্দ্রিক সে এ্যাম্বুলেন্স চালায়। বয়স মাত্র ২২। মানে জীবনের আসল এক্সপেরিমেন্টাল ফেজে আছে।

 আত্মীয়স্বজনরা তার ডানপিটে স্বভাবের কারনে তাকে আরও পড়ালেখা না শিখিয়ে সোজা পাঠিয়ে দিয়েছে “লাইফ অ্যান্ড ডেথ ট্রান্সপোর্ট” সার্ভিসে! অভিজ্ঞতা? বছর খানেক আগে গাড়ি চালানো শিখেছে, আর কয়েক মাসের মধ্যে সরাসরি এ্যাম্বুলেন্স লাইনে।


collected post from FB on